বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মরক্কো ও কাফকো থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০২ অপরাহ্ণ
সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মরক্কো ও কাফকো থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মরক্কো ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানির (কাফকো) কাছ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯২৫ কোটি ৯ লাখ ১৯ হাজার ৮২০ টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার টন ইউরিয়া ও ৬০ হাজার টিএসপি সার রয়েছে। সচিবালয়ে গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের কাছ থেকে দ্বিতীয় লটের ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ১৯৫ কোটি ৪৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা। প্রতি টন সারের দাম পড়বে ৩৯৯ দশমিক ১৭ ডলার।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানির কাছ থেকে সপ্তম লটের ৪০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৯০ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৩৯০ ডলার।

এছাড়া কাফকোর কাছ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য অষ্টম লটে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব দেয় শিল্প মন্ত্রণালয়। এতেও অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এতে ব্যয় হবে ১৩৯ কোটি ৬৯ লাখ ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতি টন সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭৯ দশমিক ৫০ ডলার।

বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উত্থাপিত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ১১ ও ১২তম লটের ৬০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩৯৯ কোটি ২ লাখ ৪ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের দাম পড়বে ৫৪২ ডলার।

এদিকে বৈঠকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্যাকেজ ৩-এর আওতায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতী সেদ্ধ চাল কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ভারতের মেসার্স গুরুদেও এক্সপোর্টস করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এ চাল কেনায় ব্যয় হবে ২১৭ কোটি ৬৮ লাখ ৯৩ হাজার ১৭০ টাকা। প্রতি টন চালের দাম পড়বে ৩৫৬ দশমিক ৭৮ ডলার।

Read more — অর্থনীতি
← Home