বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বিপিএলে ৩ ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

উত্তরা ডেস্ক ১৮ আগস্ট ২০২৫, ০৬:৫২ অপরাহ্ণ
বিপিএলে ৩ ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

সম্প্রতি দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে তুলে ধরা হয়- বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তিন ফ্র্যাঞ্চাইজির ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার তথ্য। সেখানে রাজশাহী, সিলেট ও ঢাকার কথা তুলে ধরা হয়।

তার চেয়েও বড় কথা এক ম্যাচ হারলে ৪০০ কোটি টাকার অফরা দেওয়ার কথাও তুলে ধরা হয়। বিপিএলের সর্বশেষ আসরে এমন হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। খালি চোখেই অনেক মুহূর্ত দেখে জেগেছে ফিক্সিংয়ের শঙ্কা।

এবার তদন্ত প্রতিবেদনে সেই শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে, কোথাও কোথাও নিশ্চিতও হওয়া গেছে যে, একাদশ বিপিএলে সত্যিই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ছিল ফিক্সিংয়ের বিষবাষ্প।

বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া তদন্ত কমিটি গত বিপিএলে সন্দেহজনক ৩৬টি ঘটনা পেয়েছে। এসব ঘটনায় নাম আছে ১০-১২ জন ক্রিকেটারের, যাদের মধ্যে ৩-৪ জন হাই ফ্ল্যাগডধারী। এই তালিকায় আছেন জাতীয় দলে খেলা দুই ক্রিকেটার, যাদের একজন পেসার ও একজন অফ স্পিনার। অস্বাভাবিক ওয়াইড দেওয়া জাতীয় দলে না খেলা এক পেসারও আছেন।

এই ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। আর মিডিয়াম ফ্ল্যাগড ও লো ফ্ল্যাগড ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি নিশ্চিত না হলেও নির্দোষ বলা যাচ্ছে না।

যে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের বেশিরভাগেরই বয়স ৩৫ পেরিয়ে গেছে, তাই জাতীয় দলে আর তাদের ফেরার সম্ভাবনা নেই। অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের মধ্যে অবশ্য সর্বশেষ শ্রীলংকা সফরের দলে থাকা একজন ক্রিকেটারেরও নামও আছে।

শুধু খেলোয়াড়রাই নন। সন্দেহভাজন হিসেবে উঠে এসেছে আরও অনেকের নাম। এমনকি বিসিবির একটি উপ-কমিটির একজন সদস্যের নামও আছে তালিকায়। তিনি আবার গত বিপিএলে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির অংশ ছিলেন।

এর বাইরে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির ম্যাচ গড়াপেটার ব্যাপারে তদন্ত কমিটি নিশ্চিত হয়েছে। এই তিনটি দল হলো- দুর্বার রাজশাহী, সিলেট স্ট্রাইকার্স ও ঢাকা ক্যাপিটালস। নির্দোষ প্রমাণ না হলে বা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগপর্যন্ত এই খেলোয়াড়, ফ্র্যাঞ্চাইজি ও কর্মকর্তাদের ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার সুপারিশ করতে যাচ্ছে তদন্ত কমিটি।

এমনকি খেলা সম্প্রচারের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান নিয়েও আছে অভিযোগ। যেসব চ্যানেলে বেটিংয়ের বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছে, সেসব চ্যানেল নিয়েই সন্দেহ। অভিযোগ রয়েছে, এই অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রচার করেই নাকি একটি চ্যানেল ১৭০-১৮০ কোটি টাকার মতো আয় করেছে।

Read more — খেলাধুলা
← Home